পোস্টগুলি

জনসচেতনতামূলক পোস্ট

 উগ্রবাদীদের এড়িয়ে চলুন বর্তমানে আমাদের দেশে চরমপন্থী কিংবা জঙ্গিদের পিনপতন নীরবতা দেখে এটা নিশ্চিত হওয়ার কোনো সুযোগ নেইযে ওরা বসে আছে । আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনীর কঠোর নজরদারি ও আন্তরিক তৎপরতার কারণে হয়তো তাদের বড় বড় পরিকল্পনা বারবার ভেস্তে যাচ্ছে ।কিন্তু আড়ালে-আবডালে প্রশাসনের চোখে ধূলো দিয়ে ওরা ওদের দল ঠিকই ভারী করছে ।এভাবে ওরা দিনদিন শক্তিশালী হয়ে উঠছে ।এই দুষ্কৃতিকারীদের প্রধান টার্গেট হলো কমবয়স্ক কিশোর-কিশোরী এবং তরুণ-তরুণী ।এই বয়সে মানুষ বিবেকের তুলনায় আবেগকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে ।কেননা এটিই প্রত্যেকটি মানুষের জন্মগত স্বভাব ।আর এই সুযোগটিকে কাজে লাগানোয় সদাব্যস্ত থাকে তথাকথিত জঙ্গিসংগঠনগুলো ।ধর্মের বাণীর ভূল ব্যখ্যা দিয়ে, দেশের সরকারের ত্রুটিপূর্ণ সমালোচনা করে, নানা ধরণের কুপ্ররোচনামূলক উসকানি দিয়ে মগজধোলাই করে এরা কিশোর এবং তরুণবয়সীদেরকে ধ্বংসের পথে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে ।ইদানিং পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে জানা যায়- জঙ্গিগ্রুপগুলো তাদের দাওয়াতী মিশন ভার্চুয়াল জগতের মাধ্যমেও সম্পন্ন করছে । দেশের অমূল্য মানবসম্পদ এই কিশোর ও তরুণসমাজকে ধ্বংসের কালোহাত থেকে রক...

ফিচার

 নার্গিস ফুল  নার্গিস একটি ফুলের নাম ।এটি ড্যাফোডিল, জনকুল, লিন্ট লিলি নামেও সমধিক পরিচিত ।বাংলা ছাড়াও হিন্দী এবং উর্দুতেও একে বলে নার্গিস ।এর আদি নিবাস ইউরোপের মেডিটেরিয়ান এলাকায় ।শীতপ্রধান দেশগুলোতে এই ফুলের বংশবিস্তার বেশি ।নার্গিস ফুলের পাপড়ি সাদা ও পাপড়ির উপর লাল প্রান্তযুক্ত বলয় রয়েছে ।ফুলটি তীব্র সুগন্ধযুক্ত ।এই ফুলের গাছ ২০-৪০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হয় ।পৃথিবীর অনেক দেশেই ফুলটিকে সৌভাগ্যের প্রতীক বলে ধরা হয় ।   সাম্প্রতিককালে বিজ্ঞানীরা এই নার্গিস ফুলটির মাঝে এমন উপাদান খুঁজে পেয়েছেন যা মানবদেহে ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধি ঠেকাতে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে । 

কবিতা

একজন টোকন ঠাকুর  একজন টোকন ঠাকুর-  যাঁকে আমরা একজন কবি বলে মানি, তাঁকে আমরা একজন সিনেমানির্মাতা হিসেবে জানি ।  এগুলো তো তাঁর সৃষ্টিকর্মশীল প্রফেশন ।  কিন্তু ব্যক্তি হিসেবে তিনি ওই আকাশের মতো উদার ।  তাঁর ক্ষুরধার লেখনশৈলী আলাদা করে জানান দেয় তাঁর নির্মল অন্তরের প্রতিচ্ছবি ।  তাঁর ব্যক্তিত্ব এতটাই মুগ্ধ করে-  যেন আবেগাপ্লুত হয়ে কেঁদে ফেলার অভিপ্রায়ে কবির জন্য অশ্রু দিয়ে হাজার কবিতা লিখি ।  টোকনদার বাচনভঙ্গি তুলনাহীন,  যেন অতি মহান এক প্রথিতযশা মনীষী মনের কথা ব্যক্ত করছেন ।  তাঁর রচিত একেকটি পঙক্তিমালা যেন পাঠকের মনে আগেকার আমলের পুঁথিমালার মতো অদম্য কাল্পনিক এক আবেগী নেশা ধরিয়ে দেয় ।  টোকন ঠাকুর একজন অসম্ভব শক্তিশালী কবিত্বশক্তির অধিকারী মনীষী-  তাইতো কবি আপনাকে আমরা পাগলের মতো এতোটা ভালবাসি !          

কবিতা

প্রেম আর ভালবাসা   প্রেম আর ভালবাসা এক নয় । যারা বলে এদুটো এক- তারা না বুঝে বলে । তারা বুঝেনা প্রেমের ও ভালবাসার মর্মার্থ । প্রেমে রয়েছে কামের অপরিহার্য উপস্থিতি, ভালবাসার প্রায়োগিক ক্ষেত্রে যা সর্বদা অপরিহার্য নয় । প্রেম বেশিরভাগই আত্মঘাতী হয় ভালবাসা সবসময় এরকম নয় । প্রেমে পড়তে লাগেনা কোনো যোগ্যতা, ভালবাসতে আবার সবাই পারেনা- কেননা ভালবাসা মহত্ত্বসূচক অনুভূতিরই নামান্তর ।
সেনারা ফেরেশতা/দেবদূতের মতো  আমরা জানি আল্লাহর অনুগত দাসদের মধ্যে ফেরেশতাকুল অন্যতম ।  আমরা পবিত্র কোরআন মাজীদে নূরের তৈরি এই ফেরেশতাদের দাসত্বের সুশৃঙ্খল কর্মকাণ্ড কিংবা ইবাদাতের অনুপম বর্ণনার কথা পড়ে অভিভূত হই ।  একেকজন ফেরেশতা একেক রকমের স্রষ্টার ‘সেবা’য় ব্যস্ত থাকেন ।  এবং তা অনর্গল।  যাহোক, আমার কাছেও আমার দেশের একেকজন সেনাকর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দকেও একেকজন ফেরেশতা কিংবা সনাতনী ভাষায় একেকজন দেবদূত মনে হয় ।  কেননা, এরাও ওয়েল-ডিসিপ্লিন্ড কিংবা সুশৃঙ্খল । এদের প্রত্যেকেই একেক ধরণের স্বদেশসেবামূলক কর্মকাণ্ডে অবিরত-  যা কিনা স্রষ্টার ইবাদাতের বা ঈশ্বরের আরাধনার সমতূল্য।  তাই নয় কী ?   ওরা- ফেরেশতা/দেবদূতের মতো সর্বদা প্রায় বিনিদ্র রজনী দুঃসাহসের নৌকা দিয়ে পারাপার হয় ।  ওদের রয়েছে দেশপ্রেম,  ওদের রয়েছে সুশৃঙ্খলতা,  ওদের রয়েছে অসীম শৌর্যবীর্য— ওরাই তো সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী ।  যেভাবে ফেরেশতারা/দেবদূতেরা !   

কবিতা

  আমিও আজ অব্যর্থ   এতোদিন অশান্তিময়, কখনোবা প্রশান্তিময় ঘুমে মহাব্যস্ত ছিলাম ।  এখন ঘুমের মহাব্যস্ততায় ক্ষান্ত দিয়ে ধীরে ধীরে জাগ্রত হওয়ার কসরতে নতুন ধরণের ব্যস্ততা শুরুর জন্যে সময়টাকে ক্ষণকালের নিমিত্তে স্তব্ধ করায় সফল আমি ।  নিশ্চয়ই, আমাদের প্রভূ আমাদেরকে অনেক অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী করে এই জীবন নামক যুদ্ধে পাঠিয়েছেন ।  আমার মতো এমন বাস্তবচিন্তাবিহীন অকর্মণ্য এতোদিনে যে চরম বাস্তবতার পরম স্পর্শে এতটুকু বুঝতে সক্ষম হয়েছে- তাইতো অনেক ।  কেননা, দুধওয়ালা দুধ নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও সবাই উল্টো মদওয়ালার দ্বারে দ্বারে ঠিকই ঘুরতে সামাজিক-বাস্তবিকভাবে বাধ্য ।  হ্যাঁ, এই একটি কথাই জীবন-বাস্তবতাকে উপলব্ধিতে দারুণভাবে অব্যর্থ ।  আর আমিও আজ অব্যর্থ- প্রভূর অলৌকিক ক্ষমতার বলে সময়টাকে ক্ষণকালের নিমিত্তে সফল করতে !